fbpx
Shopping Cart
Share on facebook
Share on whatsapp
Share on telegram

ফজর আর করব না কাযা

৳ 159

অনুবাদ- আবু মুসআব ওসমান
পৃষ্ঠা সংখ্যা- ১৮৪

ফজরের নামায এক ঈমানী পরীক্ষা

অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি ঈমানী পরীক্ষা হলো ফজরের নামাযের পরীক্ষা!
পরীক্ষাটি কঠিন; কিন্তু অসাধ্য নয়।
ফজরের পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্তির পথ হলো পুরুষদের জন্য মসজিদে জামাতের সঙ্গে নিয়মিত ফজরের নামায আদায় করা আর নারীদের জন্য নিয়মিত ঘরেই প্রথম ওয়াক্তে নামায আদায় করে নেওয়া। আর অতি গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় অকৃতকার্যতা হলো নির্ধারিত সময়ে নামায আদায়ে সক্ষম না হওয়া।
তবে সর্বোচ্চ নাম্বার প্রাপ্তি ও অকৃতকার্যতার মাঝে আছে অনেকগুলো স্তর।
একজন হয়তো অধিকাংশ সময় মসজিদেই নামায আদায় করেন; কিন্তু মাঝে মধ্যে মসজিদের জামাত ছুটেও যায়।
আরেকজনের অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত। মাঝে মধ্যে মসজিদে নামায আদায় করেন; অধিকাংশ নামাযেই জামাত ছুটে যায়।
কেউ হয়তো ফজরের নামায নিয়মিত ঘরেই আদায় করেন; অবশ্য ওয়াক্তের মধ্যেই।
আবার কেউ ঘরেই নামায আদায় করেন; তবে প্রতিদিনই ওয়াক্ত শেষ হওয়ার পর!
স্তর যদিও অনেক; কিন্তু নিষ্ঠাবান মুমিন বান্দার কাক্সিক্ষত সফলতার স্তর হলো নিয়মিত মসজিদে জামাতের সঙ্গে ফজরের নামায আদায় করা।
প্রশ্ন হতে পারে, ফজরের নামায কতটা গুরুত্বপূর্ণ?!
এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামাযকে মুমিন ও মুনাফিকের মধ্যে পার্থক্য-নির্ণয়কারী সাব্যস্ত করেছেন!
শাইখাইন রহ. হযরত আবু হোরায়রা রাযি. হতে বর্ণনা করেন, নবীজী ইরশাদ করেছেন―
”মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন নামায হলো এশা ও ফজরের নামায। এই দুই নামাযের ফজিলত তারা যদি জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও নামাযে উপস্থিত হতো। আমার মনে চায় যে, আমি (নামাযের সময় হলে) নামাযের নির্দেশ দিই। এরপর একজনকে নির্দেশ দিই যে, সে উপস্থিত লোকদের নিয়ে নামায আদায় করুক। আর আমি লাকড়ির বোঝাসহ একদল লোক নিয়ে তাদের কাছে চলে যাই, যারা নামাযে উপস্থিত হয়নি। এরপর তাদের ঘর তাদের সহ আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দিই।”
ভেবে দেখুন, অন্যায় কত বড়! অপরাধ কত ভয়াবহ! উম্মাহর প্রতি কল্যাণকামী ও পরম দয়ার্দ্র হওয়া সত্ত্বেও প্রিয় নবীজী চাচ্ছেন ফজরের জামাতে অনুপস্থিত ব্যক্তিকে ঘরসহ জ্বালিয়ে দিতে!
আল্লাহর শপথ! বাহ্যত চরম কঠোরতা মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে এ উক্তির মাঝে ফুটে উঠেছে পরম ও স্নেহশীল নবীজীর উম্মাহপ্রীতির এক অনুপম চিত্র। নবীজী তো চাচ্ছেন উম্মতকে দুনিয়ার আগুনের ভয় দেখিয়ে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করতে। আহ! কত পার্থক্য দুনিয়ার আগুন ও জাহান্নামের অগ্নির তাপ ও তীব্রতায়!
নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কারও ঈমানের বিষয়ে পূর্ণ আশ্বস্ত না হলে তাকে ফজরের সময় মসজিদে খোঁজ করতেন। ফজরের জামাতে তাকে উপস্থিত না পেলে নবীজীর সন্দেহ নিশ্চিত বিশ্বাসে রূপ নিত।
হযরত উবাই বিন কা’ব রাযি. বর্ণনা করেন, নবীজী একদিন ফজরের নামায আদায় করার পর সাহাবায়ে কেরামকে জিজ্ঞেস করলেন―
‘অমুক কি নামাযে এসেছে?’ উপস্থিত সাহাবীগণ বলল, ‘না।’ নবীজী জিজ্ঞেস করলেন, ‘অমুক?’ সকলে উত্তর দিল, ‘না।’ তখন নবীজী বললেন―‘এই দু’টি নামায (ফজর ও এশা) মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে কঠিন নামায। তারা যদি এই দু’ নামাযের ফজিলত জানত, তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হতো।’
মসজিদে জামাতের সঙ্গে ফজরের নামায আদায়ে কী কল্যাণ নিহিত আছে, তা মুনাফিকরা উপলব্ধি করতে পারে না। তারা যদি এ কল্যাণ উপলব্ধি করতে পারত, তাহলে যে কোন অবস্থাতে মসজিদে চলে আসত; যেমনটি নবীজী বলেছেন―‘হামাগুড়ি দিয়ে হলেও উপস্থিত হতো।’
আপনি একজন পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তির কথা কল্পনা করুন, যিনি নিজে নিজে চলতে পারেন না। আবার তাকে হাঁটতে সহায়তা করার মতো কেউ নেই। তা সত্ত্বেও তিনি মসজিদে জামাতে নামায পড়ার প্রশ্নে অটল-অবিচল। মসজিদে জামাতের সঙ্গে ফজরের নামায আদায়ের ফজিলত ও কল্যাণ লাভ করার জন্য তিনি মাটিতে হামাগুড়ি দিতে দিতেই চলে যান মসজিদে। তাহলে সুস্থ ও পায়ে হেঁটে মসজিদে আসতে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও যারা অনুপস্থিত থাকে ফজরের জামাতে, হাদীসের দৃষ্টিতে তাদের অবস্থান কোথায়?! হায়! পরিস্থিতি কতটা ভয়াবহ!
স্বাভাবিকভাবেই এর অর্থ এই নয় যে, আমাদের সমাজে যারা মসজিদে নিয়মিত ফজরের নামায জামাতের সঙ্গে আদায় করে না, তাদেরকে আমরা মুনাফিক গণ্য করব। আমি ও আমরা তো কারও প্রতি বিধান আরোপের অধিকার রাখি না। আল্লাহই প্রতিটি মুসলমানের পরিস্থিতি সম্পর্কে সর্বাধিক জ্ঞাত। আমার উদ্দেশ্য হলো―আমরা যেন প্রত্যেকে আপন অবস্থা যাচাই করে নিই; আমরা যেন নিজ পরিবার-পরিজন, স্ত্রী-সন্তান ও আপনজনদের এই পরীক্ষার প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করি।
কোন ব্যক্তি যদি নিয়মিত ফজর আদায়ে অবহেলা করে, নিঃসন্দেহে এটি তার নিফাক ও কপটতার সুস্পষ্ট নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হবে। এ অভ্যাস যার মধ্যে আছে, তার কর্তব্য দ্রুত নিজের অবস্থা পর্যালোচনা করা। কারণ, নিশ্চিত করেই তার মন্দ পরিণতির আশঙ্কা রয়েছে।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে ও সকল মুসলমানকে সুস্থতা, নিরাপত্তা ও সুপরিণতি দান করুন।

ফজর আর করব না কাযা বই থেকে.

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ফজর আর করব না কাযা”

Your email address will not be published.

আলহামদুলিল্লাহ, ডেলিভারি ডেইটের আগেই বই হাতে পেলাম।।

facebook
Abid Afsara
recommends

Assalamualikum Ami ai first time ai page teke boi gula nilam, Alhamdulillah balo lagse, delivery time o first chilo.zajakallah

দুটো বই অর্ডার দিয়েছিলাম। নির্দিষ্ট সময়েই হাতে পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ আপনাদের উত্তম প্রতিদান দান করুক �

আলহামদুলিল্লাহ্‌ 🥰🥰 ভাইদের থেকে এর আগে কয়েকবার কিতাব নিয়েছি।সব সময় বেস্ট সার্ভিস পেয়েছি। আল্লাহ তায়ালা বরকত দান করুক উনাদের ব্যাবসায়ে। এইবার কুরআনে আধুনিক বিজ্ঞান কিতাব টা হাদিয়া পেয়েছি।😍 সাথে অনেকগুলা বুকমার্ক তো ছিলই।😍😍

আজকে বইগুলো হাতে পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ্। বুকমার্কগুলো দেখে সত্যিই অনেক খুশি হয়েছি। রব আপনাদের সময়ে,রিজিকে,ইলমে,হায়াতে বারাকাহ্ দান করুক🌼🤍

We the Team - For you with you Insha-Allah ! Quality Books with best deal. -Islamic Shop Dhaka

আলহামদুলিল্লাহ খুবই দ্রুত আমার পার্সেল পেয়েছি। অত্যন্ত চমৎকার ব্যবহার আপনাদের। দোয়া আর অনেক শুভ কামনা আপনাদের জন্য যেন অদূর ভবিষ্যতেও আপনাদের ওসিলায় সবাই ইসলামিক জ্ঞান আহরণের সুযোগ পায় ও আপনারা আপনাদের সেবা চালু রাখেন।

উনার ব্যবহার খুবই ভালো খুব দ্রুত ডেলিভারি পেয়েছি।যিনি এই সহজ কোরআন এবং আমলগুলো বই একত্রিত করেছেন এবং যারা এটার সম্পাদনাতে আছেন আল্লাহ উনাদের নেক হায়াত দান করুন।এত সুন্দর করে লেখা এত সুন্দর সুন্দর বাণী মা-শা-ল্লাহ মনটা একদম ভরে যায়।আলহামদুলিল্লাহ আমি বইটা পেয়ে খুবই উপকৃত হয়েছি।ধন্যবাদ ভাইয়া

facebook
Atia Antu
recommends

বই দুইটা অনেক দ্রুত পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ্ সাশ্রয়ী দামে অনেক ভালো মানের বই গুলা। আল্লাহ্ আপনাদের ব্যবসায় বারাকাহ্ দান করুক দোয়া এবং শুভ কামনা 🙂

আরো রিভিউ দেখুন ...
ফটো কনটেস্ট
সহজ পেমেন্ট সিস্টেম

বিকাশ/রকেট / ক্যাশ অন ডেলিভারি

ইসলামিক শপ ঢাকা টিম

ইসলামিক শপ ঢাকা টিম

আস-সালামুয়ালাইকুম ! 

আমরা এখন অফলাইনে আছি -ইনশা-আল্লাহ দ্রুত আপনার সাথে যোগাযোগ করব

ইসলামিক শপ ঢাকা টিম
 ৳৫০০ টাকার বই কিনলেই গিফট পাচ্ছেন
*কফি ও একটি মাসনূন দুআ স্টিকার
*প্রতি অর্ডারে সর্বোচ্চ একটি করে
লাইভ চ্যাটিং /কল করুনঃ