Share on facebook
Facebook
Share on email
Email
Share on whatsapp
WhatsApp

বানানচর্চা

৳ 340 ৳ 187

বইটি রচিত হয়েছে ছাত্র/ছাত্রী ও প্রাথমিক বাংলা চর্চাকারীদের প্রতি লক্ষ্য রেখে, তাই সঙ্গত কারণে বইয়ের পরিভাষা ও উপস্থাপনা সহজ করেছি। যারা পণ্ডিত ও বানানে পারদর্শী তাদের জন্যে এ বই নয়। বানানবিদ ও পণ্ডিতদের বই পড়তে পারেন। তবে তারা যদি উপকার গ্রহণ নয় বরং উপকার পৌঁছানোর উদ্দেশে বইটি পড়েন এবং আমাকে অসঙ্গতিগুলো ধরিয়ে দেন, তাহলে সেটা হবে আমার ওপর তাদের অনুগ্রহ।

ওয়েবসাইটে অর্ডার করলে যা পাবেন

🔖 ঢাকা সিটির বাহিরে শুধু সুন্দরবন কুরিয়ারে ডেলিভারি হবে ( ইদের পরে আবার হোম ডেলিভারি শুরু হবে) 

🔖 দেশজুড়ে আছে ক্যাশ ডেলিভারি সুবিধা ! 

🔖 প্রতি অর্ডারে বুকমার্ক উপহার !

🔖 ৩৯৯+ টাকার অর্ডারে কলম গিফট !

🔖 ৳১০০০+ টাকার অর্ডারে বুকমার্ক + শায়েখ আহমাদুল্লাহ (হাফি) এর

সকাল-সন্ধ্যার দু’আ ও যিক্‌র বই ফ্রী !
🔖 বিকাশ, নগদ এবং রকেটে ফুল পেমেন্টে আছে সর্বোচ্চ ৫% ছাড় !

Additional information

লেখকঃ

মুফতী মুহিউদ্দীন কাসেমী

প্রকাশনীঃ

রাহনুমা প্রকাশনী

পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ

300

ধরনঃ

হার্ডকভার

একদিন ক্লাসে বিজ্ঞান-বিভাগের এক ছাত্রকে জিজ্ঞেস করলাম ‘বিজ্ঞান’ শব্দটি বানান কর। সে বলে, স্যার! লিখতে পারি, বানান করতে জানি না। ক্লাসে উপস্থিত সবাইকে জিজ্ঞেস করলাম, একজন ব্যতীত কেউ উত্তর দিতে পারল না। সবারই একই কথা, বানান করতে শিখি নি। ‘কিশোরগঞ্জ’ জেলায় বাড়ি এমন এক ছাত্রকে বললাম, ‘কিশোরগঞ্জ’ বানান কর। সে ‘কিশোরগঞ্জ’ শব্দের শেষ অক্ষরকে বলছে ‘দন্ত-ন সংযুক্ত জ’ [অর্থাৎ ন্ + জ]। আমি বললাম, তোমার বাড়ি কিশোরগঞ্জ থেকে অন্য জেলায় নিয়ে যেতে হবে যার বানানে যুক্তব্যঞ্জন নেই।
কৈশোরে আমার কাছে যুক্তব্যঞ্জনগুলো ভারী হিজিবিজি মনে হতো। সমানে লিখতাম ‘নারায়নগন্জ’ ‘কিশোরগন্জ’। ভাবতাম, এত ঝামেলা করে কোনো লাভ নেই, উচ্চারণ অনুযায়ী বানান লিখে দিই। লিখতামও তাই। অথচ উচ্চারণ অনুযায়ী সব শব্দের বানান লেখা হয় না। আমি তখন কেন পারতাম না এবং আমার মতো অন্য শিক্ষার্থীরা (এমনকি শিক্ষিত ও ডিগ্রিধারীরাও) কেন যুক্তব্যঞ্জনগুলোর নাম জানে না? এর মূল কারণ, আমি স্কুল, সরকারি ও বেসরকারি মাদরাসা এবং কিন্ডারগার্টেনগুলোর বাংলা বই পড়ে দেখেছি কোথাও যুক্তব্যঞ্জনের বিস্তারিত পরিচয় নেই। কঠিন কয়েকটি বর্ণের পরিচয় দেওয়া রয়েছে। এমনকি বানান-বিষয়ে লিখিত বইগুলোও সন্ধান করে যুক্তব্যঞ্জনের বিস্তারিত কোনো আলোচনা পাই নি। তবে বাংলা একাডেমী প্রণীত ব্যবহারিক বাংলা অভিধানের শুরুতে সবগুলো যুক্তব্যঞ্জনের একটি তালিকা দেওয়া আছে। ছাত্রদেরকে যদি না-শেখানো হয় তাহলে সে শিখবে কোত্থেকে? ছাত্ররা তো এখন ফেইসবুক-ইন্টারনেট নিয়ে ব্যস্ত, নিজেদের আগ্রহে নতুক কিছু শেখার ফুরসৎ তাদের কোথায়?
স্বরবর্ণ ১১টি আর ব্যঞ্জনবর্ণ ৪০টি; এগুলো সবাই জানি। কিন্তু যুক্তব্যঞ্জন আড়াইশোর অধিক। যেগুলোর আকৃতি-অবয়ব বিভিন্ন রকমের, উচ্চারণও হরেক প্রকারের। বর্ণ না চিনলে বানান লিখবে কী করে? মূলত এ প্রয়োজনকে সামনে রেখেই ‘বানানচর্চা’ রচনায় উদ্বুদ্ধ হই।
প্রথমবার সীমিত আকারে কিছু বই প্রকাশ করা হয়েছিল। উদ্দেশ্য, ভুল-ত্রুটি থাকলে বিজ্ঞজনদের পরামর্শে সংশোধন করে দ্বিতীয়বার মুদ্রণ করা হবে। প্রকাশের পর অনেকেই অনেক পরামর্শ দিয়েছেন, অসঙ্গতিগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। সে পরামর্শগুলো সামনে রেখে কিছু নতুন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করেছি এবং বিন্যাসে কিছু পরিবর্তন এনেছি। প্রুফের কিছু ভুল ছিল তাও সংশোধন হয়েছে। তবে মূল বিষয়গুলো অপরিবর্তিত আছে।
বইটি রচিত হয়েছে ছাত্র/ছাত্রী ও প্রাথমিক বাংলা চর্চাকারীদের প্রতি লক্ষ্য রেখে, তাই সঙ্গত কারণে বইয়ের পরিভাষা ও উপস্থাপনা সহজ করেছি। যারা পণ্ডিত ও বানানে পারদর্শী তাদের জন্যে এ বই নয়। বানানবিদ ও পণ্ডিতদের বই পড়তে পারেন। তবে তারা যদি উপকার গ্রহণ নয় বরং উপকার পৌঁছানোর উদ্দেশে বইটি পড়েন এবং আমাকে অসঙ্গতিগুলো ধরিয়ে দেন, তাহলে সেটা হবে আমার ওপর তাদের অনুগ্রহ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বানানচর্চা”

Your email address will not be published.

Rate Your Satisfaction*

সহজ রিটার্ন পলিসি

ডেলিভারি নেবার সময়

বিশুদ্ধ ইসলামী গ্রন্থ

মানসম্মত লেখক এবং প্রকাশক

সহজ পেমেন্ট সিস্টেম

বিকাশ/রকেট / ক্যাশ অন ডেলিভারি